|

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ালেন অভিনয়শিল্পীরাও

প্রতিনিয়ত আমাদের দেশে ঘটে যাচ্ছে অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এই ঘটনার পিছনে রয়েছে অনেক কালোছায়া। এই কালোছায়াগুলো হলো যারা এই নির্মম ঘটনাগুলোকে সৃষ্টি করেছে বা করছে। তেমনি একটি ঘটনা ঘটে গেলো গত ২৯শে জুলাই।ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের অদূরে বিমানবন্দর সড়কে রেডিসন হোটেলের উঁল্টোদিকে বাসচাপায় নিহত হন রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী। এমন অনাকাঙ্কিত ও নির্মম মৃত্যু আর পরিবহন ব্যবস্থার অনিয়ম ঠেকাতে দেশজুড়ে চলছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও মিছিল সমাবেশ।

শুধুই এই আন্দোলনে শিক্ষার্থীরাই যোগ দিচ্ছেননা। তাদের পাশে দাড়াচ্ছেন দেশের অভিনয়শিল্পীরাও। তাদেরকেও আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের সাথে মিছিল সমাবেশে দেখা গেছে। শিক্ষার্থীরা ঢাকার সব বড় বড় মেইন রাস্তাগুলোতে গাড়ি চলাচলে বাধা দিচ্ছেন এবং সমস্ত ড্রাইভারদের লাইসেন্স চেক করছেন।কিন্তু সবার আগে এই শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর কথা আইন-সৃঙ্খলাকারী পুলিশ বাহিনীদের। কিন্তু তারা পাশে না দারিয়ে উঁল্টো শিক্ষার্থীদের উপরে হামলা চালাচ্ছে।

পুলিশের এমন অত্যাচার মানতে না পেরে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য রাজপথে নেমেছেন তারকাশিল্পীরা।তাদের ভাষ্য শিক্ষার্থীদের এই কঠিন পরিস্থিতিতে ঘড়ে বসে থাকতে পারলামনা।সমস্ত কাজকর্ম ফেলে ছুটে এসেছি তাঁদের কাছে।শুধু অভিনয়শিল্পীরা নয়,সংগীতশিল্পী থেকে শুরু করে প্রযোজক,পরিচালকরাও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করার জন্য পাশে এসে দাড়িয়েছেন।

সংগীতশিল্পী পুলক বলেন, এই শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দেখে বাসায় বসে থাকতে পারিনি।তাদের উপর পুলিশের নির্যাতন দেখে কাঁন্না ধরে রাখতে পারিনি। বাংলামোটর এসে শিক্ষার্থী বন্ধুদের সঙ্গে যোগ দিয়েছি। ওদের স্পিরিট আমাকে সাহস যোগাতে অনুপ্রাণীত,উৎসাহিত করেছে। এত সুন্দর সুসৃঙ্খল আন্দোলন এর আগে কখনো দেখিনি। ওরা সব চালকের লাইসেন্স চেক করছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া চালকদের গাড়ি আটকে দিচ্ছে।

সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে আব্দুল আজিজ বলেন, এই প্রজন্ম বড় হচ্ছে বঙ্গবন্ধুকে বুকে নিয়ে। যাদের বুকে বঙ্গবন্ধু আছেন,তাদের কোনভাবেই দাবায়ে রাখা যাবেনা। তারা তাদের দাবী আদায় করেই ছাড়বে। মনে রাখতে হবে,এটা একেবারেই সাধারন বাচ্চাদের আন্দোলন,ওরা আমার আপনার বাচ্চা,যারা বড় হয়েছে দুঁধে-ভাতে। আর দোয়া করি ওরা যাতে দুঁধে-ভাতেই থাকে। সব দিকেই মঙ্গল হবে,এদের দাবি দ্রুুত মেনে নিয়ে বা এদের বুঝিয়ে স্কুল-কলেজে ফেরত পাঠানো। দেরি হলেই বিভিন্ন পক্ষ তা থেকে হয়তো রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করবে। এই আন্দোলন এখনো স্ফুলিঙ্গ আকারেই আছে। দেরি হলে হয়তো দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়তে পারে। তখন হয়তো নিয়ন্ত্রনে আনা কঠিন হবে। আমার মনে হয়, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দ্রুুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি ছাড়া এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। এছাড়াও বিভিন্ন শিল্পীরা বিভিন্ন মন্তব্য তুলে ধরেছেন।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.