|

আরেক ছোট ছেলের সাথে শিমলার অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও সহ)

‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ চলচ্চিত্রটি প্রকাশের আগেই আলোচনার শীর্ষে। আর এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জাতীয় পুরস্কার পাওয়া অভিনেত্রী সিমলা ও হুমায়ূন আহমেদের গেটুপুত্র কমলা খ্যাত মামুন।

সাম্প্রতি সিমলা- মামুনের একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যে ফাঁস হয়েছে ইউটিউবে। সেখানে বেশ অন্তরঙ্গ দৃশ্যে দেখা যায় তাদের। ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ চলচ্চিত্রে দেখা যাবে, ৩০ বছর বয়সের শিমলার সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন ১৮ বছরের তরুণ মামুন। আর এই বিষয়টি নিয়েই নির্মিত হয়েছে ছবিটি। ছবির কাহিনী লিখেছেন ও পরিচালনা করেছেন রুবেল আনুশ। আশা তিশা প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রে আরো অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, পুলক, বাপ্পী, লাবণী, সাদিয়া, আলিফ, মুসা, টুটুল চৌধুরী, আফরিন প্রমুখ। ২০১৪ সালের আগস্টে ছবিটির নির্মাণ কাজ শুরু হলেও এখনো শেষ হয়নি এর কাজ। অবশ্য এর জন্য ছবিটির অভিনেত্রী শিমলাকেই দায়ী করছেন পরিচালক রুবেল আনুশ।

উল্লেখ : বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বোয়িং-৭৩৭ মডেলের ময়ূরপঙ্খি উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৩৪ যাত্রী ও ১৪ ক্রু নিয়ে রোববার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পর পরই উড়োজাহাজটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর উড়োজাহাজ ছিনতাইচেষ্টার অবসান ঘটে। ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা যুবকের নাম পলাশ আহমেদ।পলাশের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামে।

এক মেয়েকে ভালোবেসে জেল খাটার পর, আরেক মেয়েকে বিয়ে করা পলাশ সর্বশেষ চিত্রনায়িকা শিমলার সঙ্গে প্রেমের পর বিয়েও করেছিলেন। জানা যায়, পলাশ ২০১৪ সালে বগুড়া সদর উপজেলায় মেঘলা নামের এক মেয়েকে প্রথমে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আড়াই বছর বয়সী আয়ান নামে একটি পুত্রসন্তান আছে। এর কিছুদিন আগে আরেক মেয়েকে বিয়ের জন্য অপহরণের অপরাধে জেল খাটতে হয়েছিল তাকে। সর্বশেষ চিত্রনায়িকা শিমলাকে বিয়ে করলেও শেষ পর্যন্ত সেই সংসারেও তেমন স্বাচ্ছন্দ্য ছিল না। স্ত্রী শিমলার সঙ্গেই বিমান থেকে কথা বলতে চেয়েছিলেন পলাশ।

জানা গেছে, ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকার দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি তার মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে পলাশের নামে মামলা করেন। ওই বছরের ২৮ মার্চ র‌্যাব পলাশকে নেমরা মারমা নামে এক সহযোগীসহ কাঁচপুরের আলী নূর স্টিল মিলসের সামনে থেকে গ্রেফতার করে। পলাশের বাবা পিয়ার জাহান বলেন, পলাশ সোনারগাঁ উপজেলার মঙ্গলেরগাঁও তাহেরপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২০১২ সালে দাখিল পরীক্ষা দিয়ে পাস করে। দাখিল পাস করে সে সোনারগাঁও ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়। সেখানে পড়া অবস্থায় সে ঢাকায় চলে যায়। এর পর থেকে তার আচরণে পরিবর্তন দেখা দেয়।

পলাশের মা রেণু আক্তার বলেন, ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে শিমলা নামে এক মেয়েকে রাতের বেলা বাড়িতে নিয়ে আসে পলাশ। মেয়েটিকে চিত্রনায়িকা ও তার প্রেমিকা বলে আমাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। দুই মাস পর আবার শিমলাকে বাড়িতে নিয়ে এসে স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেয়। তাদের বিয়ের কথা শিমলাও আমাদের কাছে স্বীকার করে। ওই রাতেই তারা আবার ঢাকায় চলে যায়। আমরা শিমলাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি, তাকে বলেছি, আমার ছেলেকে যেন ভালো পথে ফিরিয়ে আনে। ছোটবেলা থেকেই ছেলেটা অবাধ্য ছিল। পড়াশোনা ছেড়ে দিয়ে প্রবাস থেকে ওর বাবার পাঠানো টাকা সে নানা পথে খরচ করেছে। পলাশের মা জানান, বিয়ের পর তিন মাস পর্যন্ত পুত্রবধূ শিমলার সঙ্গে তাদের কথাবার্তা হয়েছে। কিন্তু পরে আর শিমলার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। হয়তো পলাশের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল বলে মনে করেন পলাশের মা।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.