ঋতাভরীর জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত কী? জানালেন অভিনেত্রী


এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ইউনির্ভাসিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া (UCLA) থেকে স্নাতক হলেন অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। কেরিয়ারের পাশাপাশি পড়াশোনাও সমানভাবে চালিয়ে গিয়েছেন তিনি। তাঁর বিষয় ছিল ‘আ্যকটিং ফর ক্যামেরা প্রোগ্রাম’। সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে তাঁর এই সাফল্যের কথা ভাগ করে নিয়েছেন ঋতাভরী।
২০১৮ সালে ঋতাভরী UCLA বিশ্ববিদ্যালয়ে আ্যডমিশন নেন। সেই খবর কারও আজানা নয়। তবে সেই সময় কাজের চাপে বিদেশে যেতে পারেননি তিনি। ২০২০ সালে সারা বিশ্ব করোনার মুখমুখি হয়। তখন একমাত্র ভরসা র্ভাচুয়াল ক্লাস। সেই সময় ঋতাভরীর প্রোগাম হেড ব্রায়ান ফ্যাগান তাঁকে কোর্স শেষ করার কথা বলেন। ঝটপট হ্যাঁ বলে দেন ঋতাভরী। তিনি লেখেন, ‘এটাই ছিল আমার জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত’।

তবে ঋতাভরী শুধু স্নাতকই হননি সেরার শিরোপা অর্জন করেন UCLA থেকে। ভার্চুয়ালি হলেও সমার্বতন অনুষ্ঠানে কালো পোশাকেই অংশগ্রহণ করেছিলেন অভিনেত্রী। আয়োজন করেছিলেন কেক, ফুলের। সেই মুহূর্তের একগুচ্ছ ছবি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন ঋতাভরী। সোশ্যাল মিডিয়া তিনি বলেন, ‘আজ আমি ভীষণ খুশি। এক্সইটেড ও বছরটা স্মরনীয় হয়ে থাকল’। নিজেকে UCLA গ্র্যাজুয়েট পরিচয় দিতে পেরে গর্বিত তিনি।

মঙ্গলবার কাকভোরে হওয়া এই সমার্বতন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা জানান ঋতাভরীর মা শতরূপা স্যান্যাল। ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। লেখেন ‘আজ ঋতাভরী UCLA (University of California) থেকে গ্র্যাজুয়েট হল। দুটি সার্জারি, লকডাউনে মানসিক চাপ, সবকিছু মোকাবিলা করে ভোর থেকে একটানা ক্লাস করত। পুরো সমাবর্তন অনুষ্ঠানই ছিল অনলাইনে। মেয়ে এই বছরের সেরার পুরষ্কার জিতল, তারও গৌরবের সাক্ষী রইলাম’। গতবছর মোটেও ভালো কাটেনি ঋতাভরীর। দু’টি অস্ত্রপ্রোচারের ফলে হাসপাতালেই অনেকটা সময় কাটিয়েছেন নায়িকা। তবে শারিরীক অসুস্থতা থাকলেও দমবার পাত্রী নন তিনি। হাসপাতালের কেবিনেই অনলাইনে চালিয়েছেন তার পড়াশোনা। সকাল বেলা উঠে অপেক্ষা করতেন ক্লাস শুরু হওয়ার। একটি ক্লাসও বাদ দেননি ঋতাভরী। জানান, গ্র্যাজুয়েশনে এই ফল তাঁর হাসপাতালে কাটানো দিনের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিয়েছে। সশরীরে না হলেও ভার্চুয়ালি সহপাঠীদের সঙ্গে সেলিব্রেট করেন ঋতাভরী। পাশাপাশি তাঁর ফেসবুক পোস্টে ধন্যবাদও জানান তাঁর অধ্যাপক ও সহপাঠীদের।



Continue Reading

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.