|

একজন সফল পূজা চেরির গল্প

ছোটবেলা থেকেই বেড়ে ওঠা ঢাকার শহরে। একদিন পাশের বাসার এক আঁন্টির সহযোগিতায় একটি নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান পূজা চেরি। তারপর থেকেই নিজের অভিনয় দক্ষঁতা দিয়ে একেঁর পর এক নাটক ও বিজ্ঞাপন করার সুযোগ হয় তাঁর। এবার আর নাটক কিংবা বিজ্ঞাপন নয়, পেয়ে গেলেন নতুন একটি সিনেমার অফার। পূজাতো বেশ খুশি সাথে মাও। কারন, সে সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন। যে কোনো মানুষই সিনেমায় কাজ করতে সাচ্ছঁন্দবোদ করেন,এবং নতুন সিনেমার অফার আসলে তাঁদের ফিঁলিংসটা হয় অন্যরকম। পূজার ক্ষেএেও মনে হয় এর উঁল্টো দিকটি ছিলোনা।

তারপর যাইহোক, সিনেমায় অভিনয় করা হলো তার। সিনেমাটি যখন হলে মুক্তি পেলো,পূজার ফ্যামিলি এবং তার আত্নীয়-স্বজনরা মিলে সিনেমাটি দেখতে হলে যান। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি দেখা হলো।কিন্তু কোথায়ও পূজাকে দেখা গেলোনা। পূজার মা হয়েছেন অপমানিত সাথে পূজাও। তারপর,তার মা প্রতিজ্ঞা করলো মেয়েকে সিনেমার নায়িকা বানাবেন।

সময়টা ২০১৬ সাল, ঘোষনা আসলো জাজ মাল্টিমিডিয়া ‘পোরামন’এর সিকুয়্যেল ‘পোরামন২’করবেন। আর নায়িকা থাকবেন পূজা চেরি। তখন থেকে নায়িকা হওয়ার পথচলা শুরু হয় তার। প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি যৌথ প্রযোজনায় তৈরি হয় নূরজাহান। আর প্রথম ছবি নূরজাহান দিয়েই বাজিমাৎ করেন সে। চারদিকেই শুধু নূরজাহানের জয়জয়কার ধ্বনি।পূজাও হয়ে গেলেন রাতারাতি সফল একজন অভিনেএি।

দ্বিতীয় ছবি নিয়ে বড় পর্দায় আসেন এবারের রোজার ঈঁদে। তাঁর ছবি ‘পোরামন২’এর সাথে মুক্তি পায় আরো তিনটি ছবি। কিন্তু ‘পোরামন২’এর দাপটের কাছে হেরে যায় অন্য তিনটি ছবি। এবং পূজার কাছেও হেরে যান মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির নায়ক-নায়িকারা। তাই দুটি ছবির সাফল্য এবং অভিনয় দক্ষতার গুনে পূজাকে ঘড়ে তোলেছেন সকল নায়িকার সেরাদের সেরা।যার সমতুল্য এখন কোনো নায়িকাই নেই। আগামীর পথচলা সুন্দর হোক পূজা চেরির। ৩য় ছবি দহন-এর শুভকামনা রইলো পূজা চেরির জন্য।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.