চলে এসেছি শ্রীমঙ্গলে, একটু পর যাব লাউয়াছড়া বনে : পরীমনি

বিরাট একটি অট্টহাসির শব্দ। অগত্যা নিজের কান থেকে ৪-৫ ইঞ্চি দূরে সরাতে হল মোবাইলটা। হাসি থামতেই ফের বলতে শুরু করলেন পরীমণি। বললেন, ‘ফুরফুরে মেজাজে রয়েছি। সম্প্রতি একটি ক্যামেরা সেট কিনেছি। বলতে পারেন প্রফেশনাল ক্যামেরাম্যানের যা যা প্রয়োজন তার সব আনুষঙ্গিকই রয়েছে এ ক্যামেরার সাথে। এখন জঙ্গলে জঙ্গলেই ঘুরছি। আপাতত ফিল্মপাড়া নিয়ে কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না।’ ফোন করতেই মুঠোফোনের অপরপ্রান্ত থেকে এভাবেই শুরু করলেন পরীমণি। তাই আর অন্য বিষয়ে ডাইভার্ট হলাম না। সোজা জানতে চাইলাম তাহলে কী ভবঘুরে হয়ে গেলেন নাকি। জঙ্গলে জঙ্গলে কেন?

তাই শুরুটা করতে যাচ্ছি ভালো কিছু ক্যামেরাবন্দীর মাধ্যমে। চলে এসেছি শ্রীমঙ্গলে। একটু পর যাব লাউয়াছড়া বনে। ছবি তুলে হাতটাকে ঝালিয়ে নিতে চাই। এছাড়া সহযোগিতার জন্য প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার বন্ধুরাও সাথে রয়েছেন। কিছুটা ভয়ও কাজ করছে। দেখার পালা কতটুকু ভালো ফ্রেমের ছবি ক্যামেরাবন্দী করে ঢাকায় ফিরতে পারি।’

প্রসঙ্গ এড়িয়ে জানতে চাইলাম, ব্যস্ততা আর কী নিয়ে। এবার পরীমণি বলেন, ‘ওই যে আগেই বললাম। আজ ফিল্মপাড়া নিয়ে আর কোনো কথা বলব না। তবুও একটু শেয়ার করে রাখতে চাই, সেটা হল শিগগিরই একটি ধামাকা দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। প্রায় ১ বছর ধরে একটি পরিকল্পনা করেছি। আশা করি সেটাই ধামাকা আকারে সবার কাছে তুলে ধরবো। এখন পরিস্কার করে বলে সারপ্রাইজটা নষ্ট করতে চাচ্ছি না।’

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.