|

“চিরদিন স্মরনীয় হয়ে থাকবেন নায়ক রাজ”!

নায়ক রাজ রাজ্জাক, চলচ্চিত্র প্রেমীদের কাছে মুকুটহীন রাজা ছিলেন। ছিলেন দর্শকদের ভালোবাসার সোনার পুতুল। নিজের চরিত্র ও ভালো কাজের জন্য পেয়েছেন অফুরন্ত ভালোবাসা। অসহায় মানুষের পাশে ছিলেন সু-সময়ের বন্ধু হয়ে। নিজের জীবন বিপন্ন রেখে ছুটে গেছেন মানুষের বিপদে-আপদে। এই সু-চরিএ মানুষটিই আজকের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন পরোপারে। (আজ ২১ শে আগষ্ট) তার প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী।

কিংবদন্তি অভিনেতা, প্রয়াত নায়ক রাজ রাজ্জাক ২৩ জানুয়ারী ১৯৪২ সালে নাগতলা, কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। একপর্যায়ে হঠাৎ করে নিজের দেশ কলকাতা ছেড়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। তারপর যোগ দেন চলচ্চিত্র আঙ্গিনায়। সেখানে তিনি নিজের মতো অভিনয় ও ছবি করে কোটি ভক্তের অন্তরে জায়গা করে নেন। এবং সমসাময়িক সকল নায়ককে পিছনে ফেলে নাম্বার ওয়ান স্থানটা দখল করে নেন তিনি।

টানা পাঁচ দশক দক্ষ কর্মযজ্ঞ দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রের ভান্ডারকে পূর্ণতা দিয়েছেন তিনি। পেয়েছেন মানুষের অফুরন্ত ভালোবাসা। রাষ্ট্রও তাকে দিয়েছে কাজের স্বীকৃতি ও যথাযথ সম্মান। কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, পেয়েছেন জাতীয় পুরষ্কারে আজীবন সম্মাননা এবং রাষ্ট্রের সর্বাধিক বেসরকারি সম্মাননা।

এই মহান মানুষটাই ২১ শে আগস্ট ২০১৭ সালের আজকের এই দিনে আমাদের মায়াজাল ছিড়ে আজীবনের জন্য নিদ্রায়িত হয়েছেন। কাঁদিয়েছেন কোটি মানুষকে। মানুষও হারিয়েছেন ভালোবাসার একজন আদর্শ রাজাকে।

রাজ হয়তো মারা গেছেন, কিন্তু তার স্মৃতিতো এখনো মারা যায়নি। তাইতো তার স্মৃতিগুলোকে স্মরণ করে এখনো তাকে মনে রেখেছেন তার পাগল ভক্তরা। হয়তো আজীবন তার ভক্তদের কাছে পুতুল হয়ে থাকবেন তিনি। হয়তো মরেও মানুষের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন। কারন এমন মানুষেরতো কখনোই মৃত্যু হয়না। মরেও চিরকাল মানুষের মধ্যে বেচে থাকেন কীর্তিমানরা।

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.