‘ঝাণ্ডা নিয়ে বাওয়াল নয় সামলে থাকিস’, ভোট শেষে ঠাণ্ডা থাকার বার্তা শিলাজিতের


শিলাজিৎ

এইসময় ডিজিটাল ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সহযোগীরা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পালস যতটা বোঝেন মোদী তথা বিজেপি ততটা বোঝেন না। আজকের নির্বাচনের ফলে সেটাই স্পষ্ট। তবে সমস্ত দলের কাছে একটাই প্রার্থনা উৎসব হোক উল্লাস হোক, উৎশৃঙ্খলতা যেন না হয়।

টান টান স্নায়যুদ্ধ, উত্তেজনার লড়াই শেষে বিজয়ী তৃণমূল। আমার একটাই কথা যারা জিতুক বিজয় উৎসব করতে গিয়ে রাজ্যের মানুষেরদের ঘরে ঘরে আরও বেশি করোনা যাতে না ছড়িয়ে পড়ে এটা দেখা নির্বাচিত দলের দায়িত্ব। এছাড়া এই ভোট পর্ব জুড়ে যা দেখেছি বা যা হয়েছে তার পুনরাবৃত্তি যেন এই ভোট পরবর্তী সময়ে আর না হয়। হিংসার এবার শেষ হোক। শাসক-বিরোধী সব পক্ষই বারবার বলেছে এবার দেশের সিংহভাগ জনগণ ঘর থেকে বেরিয়ে ভোটবাক্সে নিজেদের মত দিয়েছে। এ অতএব বাংলার জণগণের এই রায়কে মান্যতা দিয়ে অন্যসব কিছু ছেড়ে পশ্চিমবঙ্গে এবার উন্নয়নের দিকে নজর দিক নির্বাচিত সরকার। তাদের জন্য আমার বার্তা, বক্রেশ্বরে গরম জল হল গরম, সামলে থাকিস, সামলে থাকিস ঠাণ্ডা হয়ে চল।

আমি ভিতরের রাজনীতি অত বুঝি না। তবে এবার অবস্থা দেখে মনেই হচ্ছিল এই নির্বাচনে নিজেদের শক্তি বাড়াবে বিজেপি। অন্যদিকে কংগ্রেস আর সিপিআইএম আইএসএফের সঙ্গে জোট গড়েও বাংলার মানুষের মনে কোনও দাগ কাটতে পারেনি। এখন নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ঝান্ডা নিয়ে ডাণ্ডা নিয়ে আর কোনও বাওয়াল যেন না হয়। দুটো পক্ষ চালাবে রাজ্য। একদল শাসক অপর জন বিরোধী। একজন শাসকের সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করবে আর আরেকজন রাজত্ব করবে। তবে এবারের ভোটের শুরু থেকে যে ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা আমরা শুনে আসছি তা দেখারও সুযোগ হতে পারে। ওরা যদি রাজ্যের ভাল চায় তবে ওরা শাসক বিরোধীও ডবল ইঞ্জিন হয়ে কাজ করতে পারে। নব নির্বাচিত সরকারের কাছে আমার ১০ দফা দাবী আছে, আমি শীঘ্রই তা পেশ করব।

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।



Continue Reading

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.