|

ধনীরা যেভাবে আরো ধনী হয়

বিশ্বের শীর্ষ সব ধনী ব্যক্তিদের দেখে অনেক সময় মনে হতে পারে, এত নিশ্চিন্তে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছে কীভাবে! আবার কাউকে দেখা যায় খুব বেশী সময় নিজের প্রতিষ্ঠানে দেয়াও লাগছে না। অথচ ব্যাঙ্কের ব্যালেন্স শুধু বাড়ছেন দিন দিন। কিন্তু কীভাবে? জেনে নিন ধনীরা কীভাবে আরও ধনী হয়।

আয়ের একাধিক উৎস: এক ঝুড়িতে সব ডিম রাখা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। হাত থেকে ঝুড়ি পড়ে গেলে সব ডিম একসঙ্গে ভেঙ্গে যেতে পারে। তাই ধনীরাও আয়ের উৎস কখনোই এক যায়গায় সীমাবদ্ধ রাখেন না। তারা একাধিক উৎস তৈরি করে নেন। ফ্রিল্যান্সিং, স্টক মার্কেট, জমি বা ফ্ল্যাট কিনে রাখা অথবা নতুন ব্যবসা শুরু করে তারা আয় করার চেষ্টা করেন। তাই ধনী হতে চাইলে আপনিও আয়ের উৎস বাড়ানোর চেষ্টা শুরু করতে পারেন।

সঞ্চয়: ধনী হওয়ার পূর্বশর্ত অবশ্যই সঞ্চয় করা। নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রতি মাসেই তারা সঞ্চয় করে রাখেন। অঢেল টাকা থাকলেও সঞ্চয় করা কখনোই বন্ধ করেন না তারা। মূল অংশ সঞ্চয় করার পরে বাড়তি যেটা থাকে, সেটা দিয়ে বিলাসবহুল জীবন কাটাতে দেখা যায় তাদেরকে।

লক্ষ্যে পৌঁছেও না থামা: সফল মানুষেরা কখনই থামেন না। যেমন ধরুন বিল গেটস। তিনি কি থেমে গেছেন? মোটেও না। বরং চলছেন নিজের গতিতেই। অথচ তিনি শীর্ষ ধনী। প্রতি নিয়তই তারা নিজেকে নতুন লক্ষ্য ছুড়ে দেন। সেটা পেয়ে গেলে আরও বড় লক্ষ্যের পেছনে ছোটা শুরু হয়।

শেখার কোনো শেষ নেই: এলন মাস্ক, ওয়ারেন বাফেট, বিল গেটস, মার্ক জুকারবার্গ কিন্তু এখনও শিখেই যাচ্ছেন নতুন নতুন বিষয়। নতুন কিছু শিখলে সেটা কখনই বিফলে যায় না। কোনো না কোনো কাজে লাগেই। তাই শেখার আগ্রহ কখনোই হারান না বিশ্বের শীর্ষ ধনীরা ।
মানসিক

ইতিবাচক চিন্তা: কখনই ভেঙ্গে পড়েন না তারা। ব্যবসায় কিংবা চাকরীতে তাদেরও ব্যর্থতা আসে। কিন্তু এতে হতাশ হয়ে সব ছেড়ে দেন না কিছুতেই। বরং নতুন উদ্যমে সব শুরু করার জন্য ইতিবাচক চিন্তা করেন সব সময়। টাইমস অব ইন্ডিয়া

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.