প্রয়াত ডিজাইনার Satya Paul, শোকপ্রকাশ Kangana Ranaut, Masaba Gupta-দের


নিজস্ব প্রতিবেদন : প্রয়াত ডিজাইনার সত্য পাল। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। বুধবার রাতে কোয়েম্বাটুরে মৃত্যু হয় তাঁর। জানা যাচ্ছে,  গত ২ ডিসেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। তবে ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক উন্নতিও হয়েছিল। তাঁর ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়েই সত্য পালকে ফিরিয়ে আনা হয় ইশা যোগ কেন্দ্রে। গত পাঁচ বছর ধরে সেখানেই থাকছিলেন সত্য পাল। বুধবার রাতে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

ভারতের খ্যাতনামা ডিজাইনার ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা হলেন সত্যপাল। ভারতীয় ফ্যাশন দুনিয়ার ধ্যানধারণা বদলে দেন তিনি। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নিজের ব্র্যান্ড সত্য পাল। যা এখনও গোটা ভারতে স্বতন্ত্র তাদের মৌলিক কাজ ও প্রিন্টের জন্য। বৃহস্পতিবার ডিজাইনারের মৃত্যুর খবর জানান তাঁর পুত্র পুনিত নন্দা। পুনিত লেখেন, তাঁর বাবার একমাত্র ইচ্ছে ছিল হাসপাতালে তাঁকে যে সমস্ত যন্ত্রের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হচ্ছে সে সব যন্ত্র থেকে তাঁকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যেতে, যাতে তিনি সুদূরে ভেসে যেতে পারেন। তাঁর সেই শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েই হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে আনা হয় সত্য পালকে। তাঁর মত্যুতে শোকপ্রকাশ করে টুইট করছেন কঙ্গনা রানাউত, মাসাবা গুপ্ত, মধুর ভান্ডারকর সহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন-শরীরে সুতো নেই, নগ্ন ফটোশ্যুটে ‘Kabir Singh’ অভিনেত্রীর সাফাই, ‘এভাবেই তো জন্মেছি’

Satya Paul 2Feb 1942 – 6Jan 2021 Thank you to all who have sent messages… a few notes about his passing… He had…

Posted by Puneet Nanda on Wednesday, 6 January 2021

আরও পড়ুন-Amitabh-র গলা শুনতে নারাজ, COVID নিয়ে কলার টিউন বন্ধের আর্জি দিল্লি হাইকোর্টে

ফ্যাশন ডিজাইনার মাসাবা গুপ্তা বলেন, ”উনি নিজেই একটি ব্র্যান্ডের একটি প্রকৃত উদাহরণ। যে কোনও ঘরোয়া ব্র্যান্ডকে সঠিক সময়ে কর্পোরেটের হাতে তুলে দিলে তা কালজয়ী হয়ে ওঠে। ফ্যাশন স্কুলগুলির কাছে অনুরোধ তাঁরা নতুন প্রজন্মের কাছে এধরনের স্বজাতীয় ব্র্যান্ডগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন। এই গল্পগুলির দ্বারা আমরা অনুপ্রাণিত হতে পারি। আমাদের মাটিতে কী ঘটেছিল তা আমাদের আগে শিখতে হবে।”

সত্য পালের জন্ম ১৯৪২ সালে। শেষ বয়সে আধ্যাত্মিকতার প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। দার্শনিক জে কৃষ্ণমূর্তির বক্তব্য শোনার পরই বদলে যায় জীবনের প্রতি তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি। পরে ১৯৯০ সালে ওশো রজনীশের কাছাকাছি আসেন। ২০০৭ সাল থেকে যোগের পথে চলতে শুরু করেন তিনি। ২০১৫ থেকে তিনি ইশা যোগ কেন্দ্রে থাকতে শুরু করেন। শেষ জীবন সেখানেই কেটেছে তাঁর। 





Continue Reading

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.