ফের নক্ষত্রপতন, প্রয়াত ভারতের প্রথম অস্কারজয়ী ভানু আথাইয়া!


হাইলাইটস

  • প্রয়াত হলেন ভারতীয় সিনেমার জগতে সর্বপ্রথম অস্কার বিজেতা কস্টিউম ডিজাইনার ভানু আথাইয়া।
  • মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।
  • ১৯৮২ সালে ‘গান্ধী’ ছবির কস্টিউম ডিজাইনিংয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন তিনি।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০ সালটা যেন গোটা বিশ্ব তথা ভারতের জন্যেও অভিশপ্ত বছর হয়ে থাকবে। করোনা হোক বা অন্য কোনও শারীরিক অসুস্থতা- চিরবিদায় নিচ্ছেন একের পর এক রথী-মহারথীরা। এবার ফের ভারতীয় চলচিত্র দুনিয়ায় ইন্দ্রপতন। প্রয়াত হলেন ভারতীয় সিনেমার জগতে সর্বপ্রথম অস্কার বিজেতা কস্টিউম ডিজাইনার ভানু আথাইয়া। দীর্ঘদিন ধরেই শয্যাশায়ী ছিলেন তিনি। অবশেষে বৃহস্পতিবার চিরবিদায় নিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। মায়ের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন ভানু আথাইয়ার কন্যা।

ভানু আথাইয়ার কন্যা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, ‘আজ সকালে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। ৮ বছর আগে মায়ের মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়েছিল। গত ৩ বছর ধরে তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন।’ প্রয়াত শিল্পীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ মুম্বইয়ের চন্দনওয়াড়ি শ্মশানে এদিনই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।

কেন অস্কার পেয়েছিলেন ভানু? ১৯৮২ সালে ‘গান্ধী’ ছবির কস্টিউম ডিজাইনিংয়ের দায়িত্ব নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলেন তিনি। আর সেই কাজের জন্যেই সেরা কস্টিউম ডিজাইন বিভাগে প্রথম ভারতীয় হিসেবে অস্কার পুরস্কার জেতেন তিনি।

১৯২৯ সালে কোলাপুরে জন্ম ভানু আথাইয়ার। ১৯৫৬ সালে গুরু দত্তের বিখ্যাত ছবি ‘সিআইডি’ দিয়ে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। ধীরেধীরে উত্থান। এরপর ১৯৮২ সালের ‘গান্ধী’তেই তাঁর সেই তাকলাগানো সাফল্য। সেই বছর যৌথ ভাবে জন মোলো-র সঙ্গে অস্কার জেতেন ভানু।

তাঁর কেরিয়ারে রয়েছে একের পর এক সাড়াজাগানো ছবি। প্যায়াসা, কাগজ কে ফুল, ওয়াক্ত, আরজু, আম্রপালি, সুরজ, অনিতা, মিলন, রাত অউর দিন, শিকার, গাইড, তিসরি মঞ্জিল, মেরা সায়া, ইন্তেকাম, অভিনেত্রী, জনি মেরা নাম, গীতা মেরা নাম, আবদুল্লা, কর্জ, এক দুজে কে লিয়ে, রাজিয়া সুলতান, নিকাহ, অগ্নীপথ- বহু ছবির দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: হারতে জানেন না ‘অপরাজিত’, আগের থেকে ভালো আছেন করোনামুক্ত সৌমিত্র

তবে, ২০১২ সালে তিনি তাঁর অস্কারের স্মারক একাডেমি অফ মোশন পিকচার্সকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। কারণ তাঁর মনে হয়েছিল, ওই স্মারকের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ তিনি করতে পারবেন না। একশোর উপর ছবিতে দক্ষতার সঙ্গে কাজ। অস্কার জয়। এছাড়াও গুলজারের ছবি ‘লেকিন'(১৯৯০) এবং আশুতোষ গোয়াড়েকরের ‘লাগান'(২০০১) ছবির জন্যে দু’দুবার জাতীয় পুরস্কারও জিতেছিলেন তিনি।

এই সময় ডিজিটাল এখন টেলিগ্রামেও। সাবস্ক্রাইব করুন, থাকুন সবসময় আপডেটেড। জাস্ট এখানে ক্লিক করুন



Continue Reading

You might also like

Leave A Reply

Your email address will not be published.