দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইউএনওর পরিচয় নিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতারণার চেষ্টা

0 3


দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইউএনওর পরিচয় নিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতারণার চেষ্টা

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইউএনওর পরিচয় নিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতারণার চেষ্টা

চাঁদপুর থেকে : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী শরিফুল হাসানের সরকারি মোবাইল নম্বর ক্লোন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিকে ফোন করে টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে একটি প্রতারক চক্র।

মঙ্গলবার তার মোবাইল নম্বরটি ক্লোন করা হয়। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া সচেতনতা তৈরিতে প্রশাসনের ফেসবুক পেজেও পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এদিকে দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে এধরণের প্রতারণার খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও গাজী শরিফুল হাসান জানান, মঙ্গলবার সরকারি কাজে ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি ক্লোন করা হয়। ক্লোন করা নম্বর দিয়ে একটি প্রতারক চক্র জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে উন্নয়নমূলক কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ইউপি চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধিদের কাছে ফোন দিয়ে সরকারি বরাদ্দ এনে দেওয়ার কথা বলে টাকা দাবি করছে।

নম্বরটি ক্লোনের পর সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ফেসবুক আইডিসহ উপজেলা প্রশাসন, মতলব উত্তর পেজেও সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মোসাদ্দেক হোসেন মুরাদ জানান, ইউএনওর মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে টাকা চাওয়া হয়। তবে তিনি কোনো লেনদেন করেননি।

এদিকে দেশের বিভিন্নপ্রান্ত থেকে এধরণের প্রতারণার খবর পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরা ও যশোরের কেশবপুর উপজেলা ও অভয়নগর উপজেলাতে কিছু দিন আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিচয় দিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রাম পুলিশদের ফোন দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ নানা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছে। কেশবপুর উপজেলায় ০১৬১০৪৭২৯৩৪ নম্বর থেকে প্রতারণার চেষ্টা করা হয়। গ্রাহক নিবন্ধন ফরম থেকে জানা গেছে নম্বরটি ‘পারুল বেগম’ নামে এক মহিলার নামে নিবন্ধিত, যার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর ৪৭৯৪৫১২১৬২৩০৮। ঠিকানা : পুরাতন কলোনী, খুলনা সদর, খুলনা-৯০০০।

কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুক পেজের পোস্টে ইউএনও এমএম আরাফাত হোসেন লেখেন, সম্প্রতি ঈদ কেন্দ্রিক এক ধরণের প্রতারক চক্র মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ইউনিয়ন এর মেম্বরদের ফোন দিয়ে বলছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলছি। আপনার বাজারের মিস্টির দোকানদার এবং মুদিখানার দোকানদার এর ফোন নং দেন। তারপর মেম্বরদের কাছ থেকে তারা ফোন নং নিয়ে ঐসকল দোকানদারের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। দয়া করে সকলে সচেতন হন। প্রতারিত হবেন না। এটার বিষয়ে থানা পুলিশ কাজ করছে। তারপর ও আপনাদের আবারো সচেতন হতে আহবান করছি। প্রতরণার ফাদে পা দিবেন না। 





Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.