দর্শক,ক্রেতারা ফিরবেন, শিল্পীরা আশাবাদী

0 7



দেবলীনা ঘোষ

কিছুদিনের মধ্যেই মঞ্চে একটি মিউজিক্যাল শো করতে চলেছেন অভিনেত্রী অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। সেই শো নিয়ে মানুষের উচ্ছ্বাস কেমন? অভিনত্রীর তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। অনলাইন পোর্টাল থেকে প্রচুর বুকিং পেয়েছেন তাঁরা। তাই এই শো সম্বন্ধে যে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা উৎসাহ আছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। নিরাপত্তার দিকটাও বিশেষভাবে খেয়াল রাখছেন তাঁরা। কলাকুশলী সবাই ভ্যাক্সিন নিয়ে নিয়েছেন। তা ছাড়া মাস্ক পরা বা স্যানিটাইজ করার মতো বিষয়গুলো তো থাকছেই। হল যেহেতু পঞ্চাশ শতাংশ ভর্তি থাকবে, তাই শারীরিক দূরত্বও বজায় থাকবে।

অনেকদিন পর আজ আবার মঞ্চে ফিরতে চলেছে অভিনেতা অর্ণ মুখোপাধ্যায়ের ‘মহাভারত’। আবার মঞ্চে ফিরতে পেরে স্বভাবতই খুশি অভিনেতা। টিকিট বিক্রি হচ্ছে কি? অর্ণর উত্তর, ‘আমাদের শুধু ব্যালকনির কিছু সিট পড়ে আছে। অনেক দেরি করে আমরা ঘোষণা করেছি দিনটা। তাও এই শো হাউজফুল হতে চলেছে বলা যেতে পারে। খুব ভালো লাগছে আবার এত মানুষ নাটক দেখতে আসছেন বলে’।

টিকিট বিক্রির পাশাপাশি নিরাপত্তার দিকেও জোর দিচ্ছেন অর্ণ। ‘মঞ্চ, আসন-সবই স্যানিটাইজ করা হবে। যাঁরা মাস্ক পরে আসবেন না, তাঁদের জন্য আমরা মাস্কের ব্যবস্থা রাখছি। কারণ সবার নিরাপত্তার জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক’, বক্তব্য তাঁর। অক্টোবরের ২-এ অন্য একটি নাটক মঞ্চস্থ করতে চলেছেন অর্ণ। সেই সময়ও হল ভর্তি থাকবে বলে আশাবাদী অভিনেতা।

শিল্পী সোমলতা আচার্য চৌধুরী জানাচ্ছেন আবার করে শো-এর জন্য খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছেন মানুষ। ‘আমরা এমনিতেও করোনার সময় টাকা কমিয়ে শো করিনি। এখনও কমানোর প্রশ্ন নেই। তবে এখন অনেকেই শো-এর বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। আশা করা যায়, এ মাসের শেষ বা পরের মাসের শুরু থেকে আবার লাইভ মিউজিক শো শুরু করতে পারবো। তবে অনেক শিল্পীই ইতিমধ্যে শো করছেন। মানুষ দেখতেও আসছেন। আগের মতো সব এত তাড়াতাড়ি তো ঠিক হয়ে যাবে না। তবে ধীরে ধীরে সব কিছু স্বাভাবিক হচ্ছে’, বলছেন গায়িকা। গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়ও নভেম্বর মাস থেকে স্টেজ শো শুরু করবেন। আপাতত তিনি ব্যস্ত একটি রিয়্যালিটি শো নিয়ে।

স্টেজ শো-এর পাশপাশি শুরু হয়েছে গিয়েছে বিভিন্ন প্রদর্শনীও। পুজোর আগে কেনাবেচার জন্য সবসময়ই এই ধরনের প্রদর্শনী জমজমাট থাকে। এরকমই এক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন ডিজাইনার অভিষেক দত্ত। তাঁর কথায়, ‘এ মাস থেকে কেনাকাটা ভালোই শুরু হয়েছে। ডিজাইনার পোশাক মানুষ পুজোর জন্য খুব কমই কেনেন। তবে দোকানে বা অন্য এক্সজিবিশনে দেখছি ভালোই লোক হচ্ছে। আমার কাছেও ব্রাইডাল পোশাকের জন্য ভালোই বুকিং আসা শুরু হয়েছে। আশা করি এই কেনাকাটা আরও বাড়বে’। অভিষেকের প্রদর্শনী হতে চলেছে শহরেরই এক নামজাদা হোটেলে। সাধারণ মানুষ যাতে পুরো প্রক্রিয়া সম্বন্ধে একটা ধারণা করতে পারেন তাই তিনি কারিগরদের দিয়ে সামনেই হাতের কাজ করানো, পোশাক তৈরির কিছু অংশ দেখাবেন। যাতে মানুষ বুঝতে পারেন একটা পোশাকের পিছনে কতটা পরিশ্রম থাকে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ আসবে কিনা জানা নেই। তবে আপাতত সব কিছু একটু স্বাভাবিক হওয়ায় যে শিল্পীরা খুশি তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.