রাজেশ খান্নার সঙ্গে অঞ্জুর বিয়ে হবে ভেবেছিলেন মুমতাজ, কিন্তু তারপর হঠাৎ যা হল…

0 6


বলিউডের অবিসাংবাদিতভাবে প্রথম সুপারস্টারের নাম রাজেশ খান্না। নিজের কেরিয়ারে টানা ১৫টি সুপারহিট ছবি বক্স অফিসে উপহার দিয়েছিলেন রাজেশ যে রেকর্ড আজও ভাঙতে পারেনি কোনও বড়পর্দার তারকা। ‘আরাধনা’, ‘কটি পতঙ্গ’, ‘ইত্তেফাক’, ‘দো রাস্তে’, ‘সফর’, ‘সাচ্চা ঝুটা’, ‘ছোটি বহু’-র মতো বহু হিট ছবিতে অভিনয় করেছেন রাজেশ।প্রতিটি ছবিতে নায়িকার সঙ্গে রাজেশ খান্নার রসায়ন প্রশংসিত হলেও মুমতাজের সঙ্গে তাঁর জুটি অন্য মাত্রা পেয়েছিল। ১০টি ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন এই দুই তারকা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজেশের সমন্ধে বলতে গিয়ে তিনি জানান যে ইন্ডাস্ট্রির আর পাঁচজনের মত তিনিও ভেবেছিলেন যে বহু বছরের প্রেমিকা অঞ্জু মহেন্দ্রুকেই বিয়ে করতে চলেছেন ‘কাকা’। তবে একদিন হঠাৎ সবাইকে চমকে দিয়ে ‘আরাধনা’-র নায়ক ঘোষণা করলেন অঞ্জু নয়, ডিম্পল কপাডিয়াকেই বিয়ে করতে চলেছেন তিনি!

তখন সবে ‘ববি’ মুক্তি পেয়েছে। ডিম্পলের বয়স মেরেকেটে ১৬ আর রাজেশ তখন ৩১। তাঁর ‘রোটি’ ছবির নায়কের কথা বলতে গিয়ে মুমতাজ আরও জানান যে টানা দশ বছর অঞ্জু মহেন্দ্রুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল রাজেশের। আর সবার মত তিনিও ভেবেছিলেন জলদি এই দুজনের বিয়ে হবে। কিন্তু বলা নেই, কওয়া নেই এক সকালে রাজেশের সেই ঘোষণা শুনে চমকে গেছিলেন। প্রসঙ্গত, পরবর্তী সময় রাজেশ-ডিম্পল দম্পতি তাঁদের দুই সন্তান টুইঙ্কল এবং রিঙ্কলকে পরিবারে স্বাগত জানায়। এরপর ২০১২ সালে রাজেশের মৃত্যুর পর তাঁর প্রার্থনাসভায় একসঙ্গে হাজির ছিলেন ডিম্পল এবং অঞ্জু।




রাজেশের ব্যাপারে আরও বলতে গিয়ে মুমতাজ বলেন প্রায় দিনই অত্যন্ত দেরি করে সেটে আসতেন ‘কটি পতঙ্গ’ এর নায়ক। অবশ্য সেসবের জন্যে মোটেই ‘সরি’ বলার কোনও বালাই ছিল না তাঁর। অন্যদিকে, শত্রুঘ্ন সিনহাও বেশ ‘লেট লতিফ’ ছিলেন শ্যুটিং ফ্লোরে আসার ক্ষেত্রে। তবে মুমতাজের দাবি, ‘ দেরি করে এসেও এত মিষ্টি করে হেসে ক্ষমা চাইতেন শত্রু যে তাঁকে কিছু বলা যেত না। সব রাগ গেলে জল হয়ে যেত। ওরকম মিষ্টি করে বললে ঈশ্বরও ক্ষমা করে দেবেন সেখানে আমরা তো কোন ছার!’

প্রসঙ্গত, রাজেশ যেমন ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েছিলেন, একসময় মুমতাজের শরীরেও বাসা বেঁধেছিল সেই মারণরোগ। যদিও এখন পুরোপুরি সুস্থ এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। মুমতাজের কথাতেই জানা গেল রাজেশের সঙ্গে তাঁদের এই অসুস্থতা নিয়েও কম ঠাট্টা হত না। এ প্রসঙ্গে রাজেশ খান্না তাঁকে একবার বলেছিলেন যে তাঁর আর খেতে ইচ্ছে করে না। তাই বাড়িতে অতিথি এলে তাঁর সম্মানে ভুরি ভুরি খাবার আনা হলেও শেষপর্যন্ত তা পেতে যেত ওই অতিথিদেরই!



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.