‘ম্যাডক্সে বসে আর আড্ডা দেওয়া হয় না’, আক্ষেপ সন্দীপ্তার

0 9


হাইলাইটস

  • সন্দীপ্তা ভবানীপুরের মেয়ে
  • সন্দীপ্তার শুরুটা হয়েছিল ‘দুর্গা’ সিরিয়ালের হাত ধরে
  • ছোটবেলার পুজোর অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে এবারের পুজোর প্ল্যান, সবটাই ‘এই সময় ডিজিটালে’র সঙ্গে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ছোট পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ সন্দীপ্তা সেন। টেলিভিশনের পাশাপাশি কাজ করছেন সিনেমা ও ওয়েব সিরিজেও। তবে সন্দীপ্তার শুরুটা হয়েছিল ‘দুর্গা’ সিরিয়ালের হাত ধরে। এই ধারাবাহিকটি করার পর বাংলার ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন সন্দীপ্তা। এরই জেরে ‘দুর্গা’ নামেও ডাকা হয় তাঁকে। ছোটবেলার পুজোর অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে এবারের পুজোর প্ল্যান, সবটাই ‘এই সময় ডিজিটালে’র সঙ্গে ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী।

কালো ব্রালেটে ঝড় তুললেন শুভশ্রী
সন্দীপ্তা ভবানীপুরের মেয়ে। সেখানেই ছোট থেকে বড় হয়ে ওঠা। তাঁর কথায়, ‘আমার কাছে পুজোর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের পুজো এবং রাস্তার পাশে বসা হরেক রকেমের রাইডস।’ সন্দীপ্তা জানান, পুজোর ক’টা দিন এতবার করে ওই রাইডস চড়তেন যে, দশমীতে তাঁর থেকে আর পয়সা নিতেন না রাইডওয়ালা।

পুজো এক একজনের কাছে এক এক রকম। তবে সন্দীপ্তার কাছে ঢাকের আওয়াজ, অঞ্জলি দেওয়া, নতুন জামা, জাঁকজমক- সব মিলিয়েই পুজো। বয়স বেড়েছে, তবে নতুন জামা কেনার উন্মাদনা তাঁর একই রকম রয়ে গিয়েছে। সন্দীপ্তা বলেছেন, ‘দাদু-দিদা নেই। তবে অপেক্ষা করি মা-বাবার থেকে নতুন জামা পাওয়ার। এমনকী জামার ট্যাগ না কেটেই রেখে দিই। ষষ্ঠী থেকে শুরু হয় নতুন জামা পরার পালা। পুজোর সাজ মানে আমার কাছে আরামদায়ক পোশাক, সেটা শাড়ি হতে পারে বা চুড়িদার। তবে প্রত্যেক বছর আমি একটা করে রঙের প্রেমে পড়ি। তখন সেই রঙের জামা পর পর কিনতে থাকি। এখন যেমন সি গ্রিন ও অ্যাকোয়া ব্লু রঙের প্রেমে বুঁদ রয়েছি। তবে পোশাকের দিক থেকে সলিড কালারই আমার বেশি পছন্দ। খুব বেশি হলে ফ্লোরাল প্রিন্ট, ব্যস! এবার পুজোয় কটন প্রিন্টেড শাড়ি, চুড়িদার, কুর্তি-সহ একটা ডিজাইনার পিস বানানোর ইচ্ছেও রয়েছে। তবে নতুন জামা পরে প্যান্ডেল হপিং নয়, বন্ধুদের বাড়িতে আড্ডা, হাউস পার্টি করতেই ভালো লাগে।’

মহালয়ায় দেবের উপহার, সামনে এল কাছের মানুষের মোশন পোস্টার
সন্দীপ্তার কথায়, নিজের চেয়ে বেশি বন্ধু আছে তাঁর বাবা-মায়ের। তাই পুজোর কয়েকটা দিন তাঁকে মা-বাবার কাছ থেকে সময় চাইতে হয়। অভিনেত্রী হওয়ার পরে এখন আর ম্যাডক্স স্কোয়ারে বসে আড্ডা দেওয়া হয়না। প্রথমবার ম্যাডক্সের পুজো আড্ডায় গিয়েছিলেন ক্লাস নাইনে পড়ার সময় বাবা ও এক দিদির সঙ্গে। সেখানেই গিয়ে আমাদের হাত ছেড়ে বাবা দূরে দাড়িয়েছিলেন, আসলে আমাদের ঝাড়ি মারার পারমিশন দিয়েছিলেন ওইটুকু সময়ের জন্যে। দূর্গা করার পর বন্ধুদের সঙ্গে একবার ম্যাডক্স গিয়েছিলাম ফুচকা খেতে। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম কিছু হবে না। ধীরে ধীরে এত ভিড় জমে গিয়েছিল যে, শেষমেষ আমাকে নিয়ে পালিয়ে আসে বন্ধুরা।

জোর তরজা! প্রযোজক দেবকে একহাত নিলেন পরিচালক অনিকেত
বাঙালির পুজোর সঙ্গে প্রেমের বেশ একে অপরের পূরিপরকের সম্পর্ক। সন্দীপ্তার কথায়, ‘আমার পুজোতে কখনও প্রেম হয়নি। তবে দাদা-দিদির জন্য ঘটকালি করতে ভালো লাগত। প্রতি বছরই পুজোয় কোথাও না কোথাও বেড়াতে যাই। কারণ পুজোর সময় কলকাতায় এত যানজট আর ভিড় হয়, যার ফলে বাইরে নিলিবিলি কয়েকটা দিন কাটাতে ভালো লাগে। এবার কাজের চাপ একটু বেশি। তাই একটু দেরি করে বের হব। তবে এ বছর বন্ধুদের সঙ্গে দক্ষিণ ভারত ঘুরতে যাব বলেই প্ল্যান করেছি।’



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.