আরিয়ান খান সহ ৮ জনকে ১৪ দিনের জেলা হেফাজতে রাখার নির্দেশ

0 10


হাইলাইটস

  • আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্ট সহ ছ’জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল মুম্বইয়ের আদালত।
  • কোর্টের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি NDPS আদালতে হবে।
  • বৃহস্পতিবার শাহরুখ পুত্র সহ বাকি সাতজন অভিযুক্তকে এদিনই আদালতে তুলেছিল NCB।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আরিয়ান খান, আরবাজ মার্চেন্ট সহ ছ’জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল মুম্বইয়ের আদালত। কোর্টের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি NDPS আদালতে হবে। বৃহস্পতিবার শাহরুখ পুত্র সহ বাকি সাতজন অভিযুক্তকে এদিনই আদালতে তুলেছিল NCB। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের আগামী ১১ অক্টোবর পর্যন্ত হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। তবে শুনানির পর অবশেষে ধৃতদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। জেল হেফাজত হওয়ার আগেই আরিয়ান খানের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করা হয়। সূত্রের খবর, শুক্রবারই ওই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। শাহরুখ পুত্রের আইনজীবী সতীশ মানেশিন্ডে বলেন, ‘আমরা আরিয়ানের অন্তর্বর্তী জামিনের আবেদন করেছি। আগামীকাল সকাল ১১টায় আরিয়ানের জামিনের মামলার শুনানি রয়েছে।’

গত ৩ অক্টোবর মাদক কাণ্ডে যোগ থাকার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছিল আরিয়ান খানকে। শনিবার বিকেলে মুম্বই থেকে ভায়া গোয়া লাক্ষাদ্বীপগামী একটি বিলাসবহুল ক্রুজ থেকে তাঁকে আটক করা হয়েছিল। সেদিন রাত থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেন NCB আধিকারিকেরা। আরিয়ান সহ মোট আটজনকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরেই গ্রেফতার করা হয়েছিল আরিয়ান, আরবাজ এবং তাঁদের বান্ধবী মুনমুন ধামেচাকে। তাঁদের আদালতেও তোলা হয়েছিল সেদিন। আদালত তাঁদের একদিনের NCB হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিল।

NCB -এর তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, আরিয়ানের কাছ থেকে মাদক না পাওয়া গেলেও, আরবাজের জুতোর নীচ থেকে মাদক মিলেছে। এদিকে মুনমুন স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভাঁজ থেকে পাওয়া গিয়েছিল নিষিদ্ধ মাদক। ওইদিন রাতে বাকিদেরও গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের নাম, মুনমুন ধামেচা, নূপুর সারিকা, ইসমিত সিং, মোহক জয়সওয়াল, ভিকরান্ত ছোকার এবং গোমিত চোপড়া।

উল্লেখ্য, Cordelia Cruise -এ চলা একটি রেভ পার্টি থেকেই আটক করা হয়েছিল আরিয়ান খানকে। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল একস্ট্যাসি, কোকেন, MD সহ একাধিক পার্টি ড্রাগ। আরিয়ান প্রথম থেকেই জানিয়েছিলেন, ওই রেভ পার্টিতে তিনি VIP অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাত্র। মাদক-কাণ্ডের ব্যাপারে তিনি কিছু জানতেন না বলেই দাবি ছিল স্টার কিডের।

NCB চিফ এস এন প্রধান ওইদিন সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে সূত্র অনুসন্ধান করছি। মুম্বই উপকূলে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজে চরস, MDM এর মতো মাদক ব্যবহৃত হচ্ছে প্রমাণ সহ খবর পাওয়ায় অভিযান চালানো হয়েছিল।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমরা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত চালাচ্ছি। তদন্ত প্রক্রিয়ার মধ্যে যদি বলিউড বা প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগ থাকে, থাকুক। আইন আইনের পথেই চলবে।’



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.