ডেনিমের উপর শাড়ি, পুজোর এটাই দিতিপ্রিয়ার স্টাইল স্টেটমেন্ট

0 5


হাইলাইটস

  • পুজোর মানেই শিউলি ফুলের গন্ধ, ওই গন্ধটা পেলেই মনে হয় পুজো এসে গিয়েছে
  • আর আমার বাবা অসম্ভব ভালো ঢাক বাজান, সেটা পুজোর সময়তেই শোনা যায়
  • তবে পুজোতে গড়িয়াহাট থেকে শপিং করা মাস্ট

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: খুব কম বয়সেই অভিনয়ে হাতেখড়ি হয়েছে অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়ের । বয়সে ছোট হয়েও রানি রাসমণীর মতো চরিত্রকে পর্দায় জীবন্ত করে তুলেছেন নিজের অভিনয় গুণে। টানা চার বছর রানি রাসমণী হয়ে মন জয় করেছেন দর্শকদের। সম্প্রতি ছোট পর্দার পাঠ চুকিয়ে দিতিপ্রিয়া এখন প্রস্তুত সিনেমার জন্যে। হাতে রয়েছে অনেকগুলি সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে কাজ। তবে পুজোর চারটে দিন ‘নো ওয়ার্ক পলিসি’ নিয়েছেন অভিনেত্রী। কী করছেন তিনি পুজোর দিন গুলিতে? পুজোতে তাঁর ফ্যাশন স্টেমেন্টই বা কী? জানালেন এই সময় ডিজিটালকে।

পুজোর মানেই শিউলি ফুলের গন্ধ, ওই গন্ধটা পেলেই মনে হয় পুজো এসে গিয়েছে। শুধু তাই নয় পুজোর কটা দিন আমি কাজ করি না এবছরও করছি না। তবে একটা জিনিস এবছর পুজোতে আমার অ্যাক্টিংওয়ার্কশপ চলবে।

‘ম্যাডক্সে বসে আর আড্ডা দেওয়া হয় না’, আক্ষেপ সন্দীপ্তার
পুজোর ছুটিতে অনেকেই আবার ভ্রমণে বের হন। দিতিপ্রিয়ার ও কি সেরকম কিছু প্ল্যান আছে? দিতিপ্রিয়ার সাফ জবাব, ‘না, আমার বাড়ির জানলা দিয়ে পুজো মণ্ডপ দেখা যায়। আমার পাড়ার পুজোটাই বাড়ির পুজোর মতো। আর আমার বাবা অসম্ভব ভালো ঢাক বাজান, সেটা পুজোর সময়তেই শোনা যায়। তাই পুজোর কটা দিন পাড়া ছেড়ে বের হচ্ছিনা ,কারণ ওটার সঙ্গে নস্ট্যালজিয়া জড়িয়ে আছে। সারাদিন ওখানেই আড্ডা খাওয়া দাওয়া। তাই বলে পুজোতে প্যান্ডেল হপিং যে করিনা তেমনটা নয়। ইচ্ছে হলেই বেরিয়ে পড়ি।‘

মিঠাইয়ের স্বপ্নের উড়ান অব্যাহত, অবনমন সর্বজয়ার
তারকা দিতিপ্রিয়া কি ভিড়ে সামিল হয় ? কেমন প্রতিক্রিয়া মেলে? দিতিপ্রিয়া বলেন, ‘আমরা অভিনয় করি লোকে চিনবে বলেই। খুব বেশি হলে একটু সেলফি তুলবে, কথা বলবে এটাই অভিনেতাদের জীবন, এটাই আমাদের প্রাপ্তি। কিন্তু, আমার জন্য কারও অসুবিধা হোক সেটা চাইনা।‘ এ প্রসঙ্গে একটা মজার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন দিতিপ্রিয়া। তাঁর বাড়ির পাশেই তালতলা মাঠ। সেখানেই পুজোর মেলা বসে প্রতি বছর। দিতিপ্রিায়র কথায়, ‘একবার হঠাৎ ইচ্ছে হল যে নাগরদোলা চড়ব। তখন রানি রাসমণী করছি দু বছর হয়ে গিয়েছে। একটা শর্টস ও শার্ট পরে আর একটা স্কার্ফে মুখ ঢেকে চলে গেলাম নাগরদোলা চড়তে। কিন্তু নাগরদোলাগতি নেওয়ার পরেই তাঁর স্কার্ফ উড়ে যায়। নীচে দাঁড়িয়ে থাকা লোকেরা ততক্ষণে চিনতে পেরে গিয়েছে আমাকে। স্বাভাবিক ভাবেই ভিড় বাড়তে থাকে। তারপর কোনরকমে সেখান থেকেই বেরিয়ে আসি।’

পুজো বলতেই শপিং ও খাওয়াদাওয়া। দিতিপ্রিয়া বলেন,’এবার পুজোয় আমি শপিং করেছি মুম্বই থেকে। কারণ কাজের সূত্রে ওখানেই ছিলাম, তাই শ্যুটিং থেকে অফ পেয়ে মুম্বইের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে ঘুরে শপিং করি। তবে পুজোতে গড়িয়াহাট থেকে শপিং করা মাস্ট। এবারও তার অন্যথা হয়নি। তবে আমি দর দাম করতে পারি না, মা করে সেটা। তবে এবার পুজোয় প্রথমবার শাড়ি পড়তে ইচ্ছে হয়েছে। তবেসেটা পড়ব জিন্সের উপর। পুজোর একটা দিন লেহেঙ্গা, অষ্টমীতে সাদা লালের কম্বিনেশনের কিছু। দশমীতেও সাদা লালের উপর কিছু পরব।

‘অ্যান্টিডোটে’র খোঁজে অঙ্কুশ-শুভশ্রী
আঠারো পেরিয়ে এখন উনিশে পড়েছেন দিতিপ্রিয়া। পুজোয় আজ অবধি কতগুলি প্রেম প্রস্তাব পেয়েছেন দিতিপ্রিয়া? না সেরকমটা হয়নি, অকপট দিতিপ্রিয়া। খানিক আফশোসের সুরে তিনি বলেন,’ প্রস্তাব পেলে হয়ত ভালোই হতো!‘ তাঁর সংযোজন,’ পুজোতে বন্ধুদের সঙ্গে খেতে যাই একটা দিন। কোভিড আবহে কলেজে ভর্তি হয়েছি ফলে যে কয়েকজন বন্ধু হয়েছে তাঁদের চিনি ভার্চুয়ালি । সে কারণে মূলত স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাই।‘

কিন্তু, এবার পুজোয় খাওয়া দাওয়া নিয়ে বাড়তি সর্তক দিতিপ্রিয়া। কেন? সদ্য কোভিড থেকে উঠেছেন তিনি। যার ফলে একটু দুর্বলতাও রয়েছে বলেই জানান অভিনেত্রী। তাই নির্দিষ্ট ডায়েট মানছেন তিনি। তবে নিজেই জানিয়েছেন ডিনার হবে বাইরেই। বিরিয়ানি আর কন্টিনেন্টাল কুইজিন তাঁর খুব পছন্দের । তাহলে দিতিপ্রিয়াকে ডেট করতে গেলে কন্টিনেন্টাল রেস্তোরাঁয় নিয়ে যেতে হবে? দিতিপ্রিয়ার কথায়, ‘না আমি কফি ডেটও বেশ পছন্দ করি।’



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.