প্রসেনজিৎ-ঋদ্ধি যুগলবন্দি

0 4


হাইলাইটস

  • এ বার এক ডাক্তারের চরিত্রে দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে।
  • প্রথমবার প্রসেনজিৎ-ঋদ্ধি যুগলবন্দি হতে চলেছে বড়পর্দায়।
  • বাবা-ছেলের ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাদার জীবনের যে দ্বন্দ্ব, সেটাই উঠে আসবে এই ছবিতে।

এই সময়: করোনার দু’টো বছরে আমাদের জীবনের ‘নায়ক’ কারা? চোখ বন্ধ করে বলা যায় ডাক্তাররা। এ বার তেমনই এক ডাক্তারের চরিত্রে দেখা যাবে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে। যে তার জীবন সঁপে দিয়েছে ডাক্তারিতে। তার ছেলেও ডাক্তার। সেই চরিত্রে দেখা যাবে ঋদ্ধি সেনকে। অর্থাৎ প্রথমবার প্রসেনজিৎ-ঋদ্ধি যুগলবন্দি হতে চলেছে বড়পর্দায়।

বাবা-ছেলের ব্যক্তিগত জীবন আর পেশাদার জীবনের যে দ্বন্দ্ব, সেটাই উঠে আসবে এই ছবিতে। বাবা-ছেলে একই পেশায় থাকলেও আর্দশ তাদের বিপরীত মেরুর মানুষ করে তুলেছে। কিন্তু এমন একটা সময় কি আসবে, যখন যাবতীয় দ্বন্দ্ব ভুলে দু’ জনেই সমাজের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়বে? উত্তর থাকছে ‘ডাক্তারকাকু’ ছবিতে। ছবিটি পরিচালনা করছেন পাভেল।

পাভেল স্পষ্ট করলেন, ‘অতিমারির পরিবেশে আমরা কিছু ডাক্তারের কাছে সারা জীবনের মতো ঋণী হয়ে গেলাম। এই ছবি তাঁদেরকে সম্মান জানানোর জন্য। তবে শুধুমাত্র ‘ভালো’ ডাক্তারদের নিয়েই ছবির চিত্রনাট্য নয়। আমরা অনেকেই ডাক্তারদের যে অন্য রূপ দেখেছি, সেটাও উঠে আসবে ছবিতে’। এর আগে পাভেল তৈরি করেছেন ‘মনখারাপ’ ছবিটি। সেখানে মানসিক স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যার প্রেক্ষাপট ছিল।

ডেনিমের উপর শাড়ি, পুজোয় এটাই দিতিপ্রিয়ার স্টাইল স্টেটমেন্ট
এ বার পরিধি আরও বড়। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় নানা ধরনের চরিত্র করতে পোক্ত। এই চ্যালেঞ্জটা তাঁর কীরকম লাগছে? ‘ডাক্তারকাকু’ পাভেলের সঙ্গে আমার প্রথম কাজ। তবে আমি ওর সব ছবি দেখেছি। খুব সুন্দর ছবি তৈরি করে। একটা কথা ঠিক, ডাক্তারদের নিয়ে সারা বিশ্বজুড়েই যেমন প্রশংসা রয়েছে, তেমনই নানা সমালোচনা হয়। তবে গত দু’ বছরে আমরা যেমন ঈশ্বরকে ডাকি, সেরকমভাবে ডাক্তারদের ডেকেছি। তাঁরা নিজেদের, পরিবারের মানুষদের জীবন বিপন্ন করেও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তেমনই একটা চরিত্রকে তুলে ধরার সুযোগটা পেয়ে ভালো লাগছে’, বক্তব্য প্রসেনজিতের।

ডাক্তার হিসেবে কার ইমেজ মাথায় আসে? ‘বিধান চন্দ্র রায়ের কথা মাথায় আসে। ওঁর দর্শনে নিজেদের গড়েছেন এমন অনেক ডাক্তার আমরা দেখেছি। যাঁরা শুধু ওষুধ দিয়ে সারিয়ে তোলেন না। তাঁদের কাছে গেলে, পরামর্শ, ভালোবাসাতেই একজন অসুস্থ মানুষ আত্মবিশ্বাস ফিরে পান’, উত্তর প্রসেনজিতের। অভিনেতা যোগ করলেন, ‘যাঁকে আমি কোলে করে মানুষ করেছি, কিন্তু দেশের অন্যতম সেরা অভিনেতা, ঋদ্ধির সঙ্গে কাজ করবো এই ছবিতে। সেটাও আমার জন্য আগ্রহের জায়গা’।

‘অ্যান্টিডোটে’র খোঁজে অঙ্কুশ-শুভশ্রী
ছবিটির শুটিং শুরু হবে আগামী বছরের জানুয়ারিতে। মুক্তি পাওয়ার দিন ঠিক করা হয়েছে ১ জুলাই। যেটি ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন। প্রসঙ্গত পাভেলের পরিচালনায় ‘মনখারাপ’ আর ‘কলকাতা চলন্তিকা’ তৈরি রয়েছে। এই দু’টি ছবিও আগামী বছর মুক্তি পাবে।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.